• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ডোমারে পূর্ব আমবাড়ী সরকারপাড়া জামে মসজিদ নিয়ে দ্বন্দ্ব, স্থানান্তর করার পরিকল্পনা ডোমারে ভোগডাবুড়ী ইউনিয়নে ৮ পূজা মন্ডবে আর্থিক অনুদান ও টি শার্ট বিতরণ ডোমারে দেলোয়ার হত্যা মামলার ৩ আসামী সিলেট থেকে গ্রেফতার ডোমার সদর ইউনিয়নের পূজা মন্ডবের সনাতনী সম্প্রদায়ের সাথে মতবিনিময় সভা দেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যাকান্ডের ঘটনায় থানায় মামলা, এজাহারনামীয় ২ আসামী আটক আশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুর রহমানের ডোমার সদর ইউনিয়নের ৯টি পূজা মন্ডবের সনাতনী সম্প্রদায়ের সাথে মতবিনিময় সভা ডোমার ভোগডাবুড়ীতে শত্রুতার জেরধরে ঘড়ে আগুন দেয়ার অভিযোগ ডোমারে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের দেশব্যাপী তথ্য সংগ্রহ বিষয়ক প্রেস কনফারেন্স ডোমারে ফুটবল মিনিবার টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

সাতক্ষীরা জেলা বিএনপিতে আহসান হাবিব টুটুলকে ঘিরে বঞ্চিত নেতাকর্মীদের ব্যাপক তৎপরতা

মেহেদী হাসান কাজল, নিজস্ব প্রতিনিধি: / ১৭৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সাতক্ষীরা জেলা বিএনপিতে আহসান হাবিব টুটুলকে ঘিরে বঞ্চিত নেতাকর্মীদের ব্যাপক তৎপরতা
আহসান হাবিব টুটুল

সাতক্ষীরা জেলা বিএনপিতে দীর্ঘদিনের ত্যাগী, অভিজ্ঞ ও আন্দোলন-সংগ্রামে পরীক্ষিত নেতা আহসান হাবীব টুটুলকে অভিভাবক হিসেবে দেখতে চান দলের বঞ্চিত ও তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। জেলা বিএনপির সেক্রেটারি পদে তার নেতৃত্ব প্রত্যাশা করে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে থাকা দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ও বঞ্চিত নেতাকর্মীদের মধ্যে ইতোমধ্যে তৎপরতা ও আলোচনা শুরু হয়েছে।
নেতাকর্মীদের দাবি, ছাত্রজীবন থেকেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত আহসান হাবীব টুটুল একজন সুশিক্ষিত, ব্যক্তিত্ববান, সৎ, সাহসী ও অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ। ৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালনকারী এই নেতার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা সাতক্ষীরা জেলা বিএনপিকে আরও সুসংগঠিত ও যুগোপযোগী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করেন তারা।
রাজনৈতিক জীবনে আহসান হাবীব টুটুল ১৯৮৭ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এরপর জেলা বিএনপির মৎস্য চাষ বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন তিনি।
২০০২ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত আহসান হাবীব টুটুল সাতক্ষীরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১/১১-পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হয়ে তাকে দেশত্যাগে বাধ্য হতে হয় বলে তার রাজনৈতিক সহযোদ্ধারা জানান।
দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর প্রবাসে অবস্থান করলেও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার যোগাযোগ অব্যাহত ছিল বলে দাবি করেন সংশ্লিষ্টরা। এ সময় তিনি নিয়মিত নেতাকর্মীদের খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্নভাবে আর্থিক সহযোগিতাও করেছেন বলে তারা জানান।
২০২৪ সালের জুলাই-পরবর্তী সময়ে দেশে ফিরে আহসান হাবীব টুটুল আবারও সক্রিয়ভাবে বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হন। নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে অংশ নেয়া সাবেক ছাত্রনেতাদের সংগঠিত করে তিনি ‘৯০ দশক সাবেক ছাত্র নেতৃবৃন্দ ফোরাম সাতক্ষীরা জেলা শাখা গঠন করেন এবং সংগঠনটির সদস্য সচিবের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
এছাড়া ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দলের পক্ষে প্রচার-প্রচারণায়ও তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। বর্তমানে দলীয় বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে সময় দিচ্ছেন তিনি। এছাড়া বিভিন্ন উপজেলার একাধিক দলীয় প্রোগ্রামে টুটুলের উপস্থিতি লক্ষনীয়।
দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততার কারণে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সেক্রেটারি পদে আহসান হাবীব টুটুলকে দেখতে চান দলের বঞ্চিত ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের একটি অংশ।
তাদের প্রত্যাশা, দলের নীতিনির্ধারকরা ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের মূল্যায়নের ক্ষেত্রে আহসান হাবীব টুটুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক সক্ষমতা বিবেচনা করবেন। জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক পদে টুটুলের মতো একজন অভিজ্ঞ ও আন্দোলন-সংগ্রামে পরীক্ষিত নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হলে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপিকে আরও শক্তিশালী, গতিশীল ও সুসংগঠিত করা সম্ভব হবে বলেও মনে করেন তৃনমুল পর্যায়ের দলীয় কর্মী ও নেতৃবৃন্দ। টুটুল বলেন, তার জীবনের শুরুটা হয়েছিল বহুদলীয় গনতন্ত্রের প্রবক্তা মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শকে ধারন করে। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় তিনি সবসময় দলকে সুসংগঠিত করা ও দলীয় নেতাকর্মীদের পাশে থেকে কাজ করেছেন। আর আগামীতেও একইভাবে কাজ করতে চান বলে জানান টুটুল। তিনি আরো বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী যে ধারনা পোষন করে আগামীর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছেন সেটা বাস্তবায়নের জন্য সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd