আনিছুর রহমান মানিক, স্টাফ রিপোর্টার>>
নীলফামারীর ডোমার উপজেলার জোড়াবাড়ী ইউনিয়নে একরামুল হক (৬৫) নামে এক বৃদ্ধকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এলাকার কিছু কুচক্রি মহলের লোকের বিরুদ্ধে।
ঘটনাটি ঘটেছে ডোমার উপজেলার জোড়াবাড়ী ইউনিয়নের হলহলিয়া মাস্টার পাড়া গ্রামে। পরিবারের প্রাপ্ত তথ্যসুত্রে জানাযায়, উক্ত এলাকার একরামুল হকের সাথে মির্জাগঞ্জ এলাকার তাইজুদ্দিনের ছেলে আলমগীর হোসেন এবং আব্দুর রহিম বুধার ছেলে ইয়ানুরের দীর্ঘদিন যাবত জমি সংক্রান্ত বিরোধ এবং আদালতে মামলা মোকদ্দোমা চলে আসছে।
এরই ধারাবাহিকতায় ঘটনার দিন সোমবার (৩১ আগস্ট) গভীর রাতে একরামুল হক প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বাড়ীর বাহিরে বের হয়। সেই থেকে তিনি নিখোঁজ হয়। রাতে অনেক খোঁজাখুজির পর ঐদিন সকাল ৬টায় মিরর্জাগঞ্জ কেরানীপাড়া এলাকার একটি ব্রীজের কাছে গলাকাটা অচেতন অবস্থায় একরামুলকে পাওয়া যায়। পরিবারের লোকজন তাকে ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার (০১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টায় একরামুল হক মৃত্যু বরণ করেন।
বুধবার (০২ সেপ্টেম্বর) লাশের ময়না তদন্ত শেষে বিকালে তার নিজ বাড়ীতে নিয়ে আসে। ঐদিন সন্ধ্যায় মিরর্জাগঞ্জ ফকিরপাড়া ঈদগাঁহ ময়দান মাঠে তার জানাজা নামাজ শেষে পাশের্^ কবরে লাশ দাফন করা হয়। এবিষয়ে মৃত একরামুল হকের স্ত্রী লাভলী বেগম বাদী হয়ে আলমগীর হোসেনকে প্রধান আসামী করে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে ডোমার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ডোমার থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাবিবুল্লাহ মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তদন্ত সাপেক্ষে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবী জানান একরামুল হকের পরিবার।