• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ডোমারে পূর্ব আমবাড়ী সরকারপাড়া জামে মসজিদ নিয়ে দ্বন্দ্ব, স্থানান্তর করার পরিকল্পনা ডোমারে ভোগডাবুড়ী ইউনিয়নে ৮ পূজা মন্ডবে আর্থিক অনুদান ও টি শার্ট বিতরণ ডোমারে দেলোয়ার হত্যা মামলার ৩ আসামী সিলেট থেকে গ্রেফতার ডোমার সদর ইউনিয়নের পূজা মন্ডবের সনাতনী সম্প্রদায়ের সাথে মতবিনিময় সভা দেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যাকান্ডের ঘটনায় থানায় মামলা, এজাহারনামীয় ২ আসামী আটক আশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুর রহমানের ডোমার সদর ইউনিয়নের ৯টি পূজা মন্ডবের সনাতনী সম্প্রদায়ের সাথে মতবিনিময় সভা ডোমার ভোগডাবুড়ীতে শত্রুতার জেরধরে ঘড়ে আগুন দেয়ার অভিযোগ ডোমারে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের দেশব্যাপী তথ্য সংগ্রহ বিষয়ক প্রেস কনফারেন্স ডোমারে ফুটবল মিনিবার টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

জেলা প্রশাসকের নির্দেশে রাতে কুড়িকাহুনিয়া ভাঙন পরিদর্শনে এসিল্যান্ড মিঠুন মৈত্র

বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি প্রতিনিধি: / ৯৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
জেলা প্রশাসকের নির্দেশে রাতে কুড়িকাহুনিয়া ভাঙন পরিদর্শনে এসিল্যান্ড মিঠুন মৈত্র
জেলা প্রশাসকের নির্দেশে রাতে কুড়িকাহুনিয়া ভাঙন পরিদর্শনে এসিল্যান্ড মিঠুন মৈত্র

আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের কুড়িকাহুনিয়া লঞ্চঘাটের দক্ষিণ পাশে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ওয়াপদা বেড়িবাঁধের প্রায় ১০০ মিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঘটনায় রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন আশাশুনি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিঠুন মৈত্র। জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজের নির্দেশে সোমবার রাত ৮টার দিকে তিনি ভাঙনকবলিত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
এ সময় এসিল্যান্ড মিঠুন মৈত্র নদীর তীব্র স্রোতে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন। ভাঙনের ভয়াবহতা ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি দেখে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি।
পরিদর্শনকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিঠুন মৈত্র বলেন, “সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের নির্দেশে ভাঙন সরেজমিনে পরিদর্শন করতে এসেছি। বাঁধের যে অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে, সেটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বিষয়টি জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে। জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।”
স্থানীয়রা জানান, ভাঙন ঠেকাতে সোমবার দিনভর প্রায় চার শতাধিক মানুষ বাঁধ রক্ষায় কাজ করেন। অতিরিক্ত মাটি ও অন্যান্য উপকরণ ফেলে ভাঙনকবলিত অংশ সংস্কারের চেষ্টা চালানো হয়। কিন্তু সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সংস্কার করা অংশের একটি বড় অংশ ফের নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে স্থানীয়দের মধ্যে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় মসজিদগুলো থেকে মাইকিং করে এলাকাবাসীকে সতর্ক করা হয়। পরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহযোগিতায় রাতে হ্যালোজেন বাতি স্থাপন করে ভাঙনকবলিত এলাকায় কাজ শুরু করা হয়। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকরভাবে ভাঙন প্রতিরোধ করা না গেলে জোয়ারের পানিতে আশপাশের মাছের ঘের, ফসলি জমি ও বসতবাড়ি প্লাবিত হয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী রাশিদুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় সারারাত ধরে বাঁধ রক্ষার কাজ করা হয়েছে। ভাঙনস্থল দিয়ে ভেতরে পানি প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। আপাতত বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে। তিনি আরও বলেন, ভাঙনকবলিত অংশ বাদ দিয়ে রিং বাঁধের কাজ চলমান রয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে রিং বাঁধের কাজ সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এদিকে স্থানীয়রা বাঁধের ভাঙন স্থায়ীভাবে প্রতিরোধে জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, দ্রুত সংস্কার এবং রিং বাঁধের কাজ দ্রুত শেষ করার দাবি জানিয়েছেন।
পরিদর্শনকালে প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান হাজ্বী আবু দাউদ, সার্ভেয়ার মোস্তাফিজুর রহমান, সাংবাদিক বিএম আলাউদ্দীনসহ স্থানীয় জামায়াতের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd