• সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩০ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি সুমন- বিপুল ভোটে সম্পাদক মান্নান – রাণীশংকৈলে বৈদ্যুতিক নির্মাণ শ্রমিক নির্বাচন প্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যু প্রতাপনগরে চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওঃ রিয়াছাত আলীর পক্ষে বিশাল মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা পাইকগাছায় মরিয়ম ট্রেড কর্পোরেশনের রিটেইলার সম্মেলন অনুষ্ঠিত ডোমারে “ফারিয়া”র নবগঠিত কমিটির সংবর্ধনা উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা ডোমারে বামুনিয়ায় অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে সাবেক ছাত্রনেতা মারুফ তানভীর চৌধুরীর সহায়তা প্রদান মোকামতলা উপজেলার ময়দানহাট্টা ও স্বর্ণগ্রাম ইউপি কার্যালয় উদ্বোধন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম দেবহাটায় ঢাকাস্থ দেবহাটা সমিতির আয়োজনে ডেঙ্গু সচেতনতামূলক প্রচারনা উদ্বোধন আশ্বাসেই পার ৭ মাস-হোসেনগাঁওয়ে ভাঙা সেতুতে ঝুলছে লাল কাপড় বাড়ছে দূর্ঘটনার ঝুঁকি আদালতের রায়ের চেয়েও ক্ষমতা বড়- রাণীশংকৈলে জমি দখলের অভিযোগ ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন

প্রবেশপত্র না পেয়ে এইচএসসি পরীক্ষায় বসতে পারলেন না ১০ শিক্ষার্থী, অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে কলেজ কর্মচারী পলাতক

মো: শিবলু মিয়া, মোকামতলা (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ / ৩২০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬
প্রবেশপত্র না পেয়ে এইচএসসি পরীক্ষায় বসতে পারলেন না ১০ শিক্ষার্থী, অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে কলেজ কর্মচারী পলাতক
প্রবেশপত্র না পেয়ে এইচএসসি পরীক্ষায় বসতে পারলেন না ১০ শিক্ষার্থী, অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে কলেজ কর্মচারী পলাতক

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী মহাস্থান মাহী সাওয়ার ডিগ্রি কলেজে চাঞ্চল্যকর এক ঘটনার জন্ম হয়েছে। প্রবেশপত্র ও নিবন্ধন কার্ড না পাওয়ায় চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনই পরীক্ষাকেন্দ্রে বসতে পারেননি মানবিক বিভাগের ১০ শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় কলেজের খণ্ডকালীন কম্পিউটার অপারেটর সাব্বির হোসেন শাওনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের পর থেকেই তিনি পলাতক এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও কলেজ সূত্রে জানা যায়, নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পর অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে ফরম পূরণের ব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাস দেন কম্পিউটার অপারেটর সাব্বির হোসেন শাওন। তার কথায় বিশ্বাস করে মানবিক বিভাগের ১০ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে চার হাজার থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়।
গত ২৪ জুন কলেজে অন্যান্য শিক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র ও নিবন্ধন কার্ড বিতরণ করা হলেও ওই ১০ শিক্ষার্থীকে জানানো হয়, বিলম্বে ফরম পূরণ হওয়ায় তাদের কাগজপত্র পরে দেওয়া হবে। শিক্ষার্থীরা সেই আশ্বাসে অপেক্ষা করতে থাকেন। কিন্তু পরীক্ষা শুরুর দিন বৃহস্পতিবার সকালেও তারা প্রবেশপত্র কিংবা নিবন্ধন কার্ড হাতে পাননি। বাধ্য হয়ে তারা কলেজের সামনে অবস্থান নেন এবং কান্নায় ভেঙে পড়েন। এ ঘটনায় অভিভাবকদের মাঝেও ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দেয়।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মো. সম্রাট সরকার বলেন, শাওন নিজেকে কলেজের স্টাফ পরিচয় দিয়ে বলেছিল, স্যারদের সঙ্গে কথা বলে সব ব্যবস্থা করে দেবে। আমরা তার কথায় বিশ্বাস করে টাকা দিয়েছিলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমাদের একটি শিক্ষাবর্ষই নষ্ট হয়ে গেল। আমরা এই প্রতারণার বিচার চাই।
আরেক শিক্ষার্থী মো. হাসর বলেন, শাওন আমাদের বিভিন্নভাবে আশ্বস্ত করেছে। এমনকি রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে রয়েছে বলেও ভিডিও পাঠিয়েছে। কিন্তু এখন তার ফোন বন্ধ। আমাদের সঙ্গে পরিকল্পিতভাবে প্রতারণা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে মহাস্থান মাহী সাওয়ার ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মতিউর রহমান বলেন, “বিষয়টি বুধবার বিকেলে জানতে পারি। আমাদের কলেজে সব ধরনের ফি ব্যাংকের মাধ্যমে নেওয়া হয়, হাতে কোনো টাকা নেওয়ার নিয়ম নেই। অভিযুক্ত ব্যক্তি খণ্ডকালীন কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ঘটনার পর থেকে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করছেন না।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা যদি আরও আগে বিষয়টি জানাত, তাহলে শিক্ষা বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করে কিছু করার সুযোগ থাকতে পারত। তবে এখন তদন্ত করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ঘটনার পর পুরো এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকেরা দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ রক্ষায় শিক্ষা বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd