বগুড়ার শিবগঞ্জে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বুড়িগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন একই পরিষদের ইউপি সদস্যগণ। প্যানেল চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ সহ নানা অভিযাগে গত মঙ্গলবার বিক্ষুব্ধ কয়েকজন ইউপি সদস্য তার কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন। তবে বুধবার দুপুরে প্যানেল চেয়ারম্যান তার অনুসারিদের নিয়ে তালা ভেঙ্গে কার্যালয়ে প্রবেশ করে এবং তার দাপ্তরিক কাজ করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আবুল কালাম আজাদ প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে ইউপি সদস্যদের সাথে তার মতবিরোধ চলে আসছ। ইতিপূর্বে একাধিকবার তাদের মধ্যে সমস্যার সষ্টি হলে স্থানীয়ভাব মিমাংসা করা হয়। ৭নং ওয়ার্ড সদস্য আজিজুল হক সঞ্জাব বলেন, প্যানেল চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বে যে প্রতিশ্রতি দিয়েছিলেন তা রাখেননি। দায়িত্ব গ্রহনের পর ইউপি সদস্যদের সাথে আলোচনা না করে প্রকল্পের টাকা আত্মসাত করেছে। উন্নয়ন সহায়তার বিশেষ বরাদ্দ ৩৫ লক্ষ টাকা আমাদের না জানিয়ে ইউপি সচিবের মাধ্যমে ১০ লক্ষ টাকা উত্তোলন করে এবং বাকী ২৫ লক্ষ টাকা মঙ্গলবার উত্তোলন করতে গেলে আমরা ইউপি সদস্যরা জানতে পেরে কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দিই। তিনি আরো বলেন, গত বছর ১৬ লক্ষ টাকা তিনি আত্মসাৎ করেছিলেন এবং আমরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দিলে পরে সেটি স্থানীয় ভাবে বসে মীমাংসা হয়।
এব্যাপারে প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল কালাম আজাদ বলেন, জনগণের ভোগান্তি কমাতে এবং ইউনিয়ন পরিষদের স্বাভাবিক দাপ্তরিক কার্যক্রম সচল রাখতেই তিনি তালা ভেঙ্গে তার কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। অর্থ আত্মসাতের বিষয়ে তিনি অস্বীকার করে বলেন কাজই তো শেষ হয়নি তাহলে আমি বিল তুলবো কীভাবে।
এ ব্যাপারে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান বলেন, এ বিষয়ে কোন অভিযোগ পাইনি পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গত বছর ঐ প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়ার ব্যাপারে তিনি বলেন, অভিযোগ পেয়েছিলাম পরে তারা তুলে নিয়েছিলেন।