• শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:২৯ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ডোমারে মিরজাগঞ্জ কলেজের (ভারপ্রাাপ্ত) অধ্যক্ষ বিজয় ঘোষ এর বিদায় সংবর্ধনা ডোমারে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’র উদ্যোগে বাংলা নববর্ষ উদযাপন সাতক্ষীরার দেবহাটা সখিপুর সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মঈন উদ্দীনের আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কর্মী হিসেবে সনদ প্রাপ্তি সাতক্ষীরার আশাশুনি প্রতাপনগর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির কমিটি বাতিলের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা   সাতক্ষীরায় দেবহাটা প্রশাসনের আয়োজনে দূর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা   সাতক্ষীরার দেবহাটায় সুশীলনের আয়োজনে শিশু শ্রম মুক্ত ইউনিয়ন গড়ার লক্ষ্যে গোল টেবিল বৈঠক নড়াইলে সেনা অভিযান, অস্ত্র, বিদেশি মদসহ চোরাই মোবাইল জব্দ, দুইজন গ্রেপ্তার সাতক্ষীরার দেবহাটায় সুশীলনের আয়োজনে ৪টি গ্রামকে ক্লিন ও হেলদি ভিলেজ ঘোষনা সাতক্ষীরার দেবহাটা থানার আয়োজনে দূর্গাপূজা উপলক্ষে বিশেষ আলোচনা সভা

৫-বছরেও শেষ হয়নি ওয়াশব্লকের নির্মাণ কাজ- জনস্বাস্থ্য অফিস বলছেন বাদ দেন চা খাওয়ার জন্য কিছু নেন

মাহাবুব আলম, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ / ১২২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২৫
৫-বছরেও শেষ হয়নি ওয়াশব্লকের নির্মাণ কাজ- জনস্বাস্থ্য অফিস বলছেন বাদ দেন চা খাওয়ার জন্য কিছু নেন
৫-বছরেও শেষ হয়নি ওয়াশব্লকের নির্মাণ কাজ

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার শতবর্ষী ‘ভবানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’। বয়স একশ হলেও নেই টয়লেটের ব্যবস্থা। পাঁচ বছর আগে সরকারি বরাদ্দের ওয়াশব্লক বরাদ্দ পেলেও শেষ হয়নি নির্মাণ কাজ। ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অবহেলায় শিক্ষার পরিবেশ থেকে মনযোগ হারাচ্ছে শিক্ষার্থীরা। কারণ সেই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রাকৃতিক চাপ পেলেই দেওয়া হয় ছুটি। সেখানে নেই প্রাকৃতিক কাজ সারানোর কোনো উপায়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ৫টি শ্রেণির ৭২ জন শিক্ষার্থী নিয়ে চলছে বিদ্যালয়টি। তাদের জন্য রয়েছে ছয়জন নারী শিক্ষিক। আরও দেখা যায় শ্রেণিকক্ষের একপাশে ওয়াশব্লকের কাজ চলছে। ২০২১ সালে সেই ওয়াশব্লকের কাজ শুরু হলেও কবে শেষ হবে কাজ জানেন না কেউ। পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী বলেন,আমাদের স্কুলে ক্লাসের সময় পায়খানার চাপ আসলে আমাদের বাড়ি চলে যেতে হয়। আর একবার বাড়ি গেলে অনেক দূর থেকে আবার হেটে স্কুলে আসতে ইচ্ছে করে না। পরে বাড়ি থেকে আবার স্কুলে আসতে না পারায় বাকি পড়া থেকে আমরা পিছিয়ে যাচ্ছি।

প্রধান শিক্ষক মোরশেদা পারভীন বলেন, কোনো শিক্ষার্থীর প্রাকৃতিক চাপ আসলেই আমরা সেই শিক্ষার্থীকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেই। কারণ আমাদের এই বিদ্যালয়ে নেই কোনো বাথরুমের ব্যবস্থা। আমরা তাদের (শিক্ষার্থীদের) স্বাস্থ্য নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই তাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। অভিযোগ করে তিনি আরও বলেন, এখানে নেই কোনো পড়ার পরিবেশ। বর্ষাএলেই স্কুলের বারান্দায় বাঁধা হয় গরু ছাগল, মাঠে ধানের খর ভুট্টার ডাটা এবং গরুর বৃষ্টাসহ ময়লার স্তুপ। বলতে গেলেই এলাকাবাসী তেড়ে আসেন। শিক্ষা অফিসারকে একাধিক বার বলেছি কোন কাজ হচ্ছে না। মনে হচ্ছে খোলা মাঠে শিক্ষার্থীদের পড়ানো হয়। এখানে আমার আসার দুই বছর হলেও ওয়াশব্লকের কাজ চলছে ধীর গতিতে। এমনকি মাঝে মধ্যে কাজ হলেও তা করছে সরকারি ছুটির দিনে। কাজের বিষয়ে কাকে কি বলব ঠিকাদার কে তাও জানিনা।

এ বিষয়ে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এর কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে অফিস সহকারী মমিনুল ইসলাম বলেন ভাই বাদ দেন। চা খাওয়ার জন্য কিছু দিব। ওই স্কুলের ওয়াশব্লকের তথ্য জেলা অফিস থেকে নিতে হবে। ঠাকুরগাঁও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর নির্বাহী প্রকৌশলী রোকনুজ্জামান রোকন মুঠোফোনে বলেন, বিভিন্ন কারণে ওয়াশব্লকের কাজে ধীরগতি দেখা দিচ্ছে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত কাজ শেষ করতে বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, কি বলব ভাই এ বিষয়ে বলার কোনো ভাষা নেই আমার। এজন্য সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা জাহিদ হোসেনের সাথে কথা বলেন। কারণ বিদ্যালয়ের মাষ্টারনিদের কথা চিন্তা করে আমার লাভ নেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd