• শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:২১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ডোমারে মিরজাগঞ্জ কলেজের (ভারপ্রাাপ্ত) অধ্যক্ষ বিজয় ঘোষ এর বিদায় সংবর্ধনা ডোমারে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’র উদ্যোগে বাংলা নববর্ষ উদযাপন সাতক্ষীরার দেবহাটা সখিপুর সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মঈন উদ্দীনের আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কর্মী হিসেবে সনদ প্রাপ্তি সাতক্ষীরার আশাশুনি প্রতাপনগর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির কমিটি বাতিলের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা   সাতক্ষীরায় দেবহাটা প্রশাসনের আয়োজনে দূর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা   সাতক্ষীরার দেবহাটায় সুশীলনের আয়োজনে শিশু শ্রম মুক্ত ইউনিয়ন গড়ার লক্ষ্যে গোল টেবিল বৈঠক নড়াইলে সেনা অভিযান, অস্ত্র, বিদেশি মদসহ চোরাই মোবাইল জব্দ, দুইজন গ্রেপ্তার সাতক্ষীরার দেবহাটায় সুশীলনের আয়োজনে ৪টি গ্রামকে ক্লিন ও হেলদি ভিলেজ ঘোষনা সাতক্ষীরার দেবহাটা থানার আয়োজনে দূর্গাপূজা উপলক্ষে বিশেষ আলোচনা সভা

রাণীশংকৈলে ইউপি সচিবের মাদক সেবনের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল

মাহাবুব আলম, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ / ১৯৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট, ২০২৫

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সচিব পলাশ চন্দ্র রায়ের মাদক সেবনের কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগ ফেসবুক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এনিয়ে উপজেলা জুড়ে চলছে আলোচনা সমালোচনা।

পলাশ চন্দ্র রায় উপজেলার হোসেনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সচিবের দ্বায়িত্বে রয়েছেন। তাঁর বাড়ি পীরগঞ্জ উপজেলার বৃদ্ধিগাঁও রনসিয়া গ্রামে। সে ওই এলাকার দগ্ধু চন্দ্র রায় ও ক্ষিরতা রায় দম্পতির ছেলে।

গত দুই দিন ধরে মাদক সেবনের কয়েকটি ছবি বিভিন্ন ফেসবুক আইডি, ফেসবুক গ্রুপ ও ইউটিউবে দেখা যাচ্ছে। ছবিগুলো শেয়ার করে তাঁকে মাদক ব্যবসায়ী বলেও দাবি করা হয়েছে। ছড়িয়ে পড়া ওই ছবিগুলোর নিচে তাঁর বিরুদ্ধে নানা মন্তব্য করেছেন বিভিন্ন লোকজন। মন্তব্যে অনেকেই তাঁর গ্রেপ্তার, বরখাস্ত ও শাস্তি দাবি জানিয়েছেন।

ইউপি সচিবের এমন ছবি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ ফেসবুক মাধ্যমে বেশ সমালোচনা চলছে। ইমরান আলী নামে একজন ফেসবুকে লেখেন, এই সচিব অনেক দিন থেকেই ফেনসিডিল সেবন করেন। তাঁর চলাফেরাও তেমন লোকজনের সঙ্গে। সাব্বির নামে একজন লেখেন, ইউনিয়ন পরিষদে যেকোনো বিষয় নিয়ে তাঁর কাছে গেলে তিনি সব কাজেই টাকা চান। টাকা ছাড়া কোনো কাজ তাঁর কাছে হয় না। এ কারণেই টাকাটা তিনি বেশি নেন।

সামাজিক গণমাধ্যমে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি মাদক সেবনের ছবিগুলো দেখে জানান, মাদক সেবনের স্থানটি ওই ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সচিবের নিজ কার্যালয়ে এবং তিনি যেখানে ভাড়া বাসায় থাকেন সেখানকার বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়াও বিভিন্ন সময় নিরিবিলি জায়গায় ঘনিষ্ঠদের নিয়ে নিয়মিত আড্ডা দেন তিনি। তার নেতৃত্বে ওই ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় মাদকের একটি বড় ঘাঁটি হয়েছে। আরও কয়েকটি স্থানে মাদকের আড্ডা বসে তাঁর নেতৃত্বে।

এ ব্যাপারে ইউপি সচিব পলাশ চন্দ্র রায়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাফিউল মাজলুবিন রহমান বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd