খুলনা পাইকগাছায় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে কাঁটা ধান লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সবুর সানা (৬৩) নামে এক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। সে উপজেলার ভিলেজ পাইকগাছার সাহেব সানার ছেলে। ৯ ডিসেম্বর সকালে এ ঘটনাটি ঘটেছে চাঁদখালী ইউপি’র দক্ষিণ গড়েরআবাদে। পুলিশ বলছেন,কোর্টের নির্দেশ অমান্য করে প্রতিপক্ষরা কাঁটা ধাঁনের একাংশ বাড়িতে নিয়েছে। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে দু’পক্ষকে নোটিশ জারি করা হয়েছে।
জানাগেছে, ভিলেজ পাইকগাছার সাহেব আলী সানা গংরা
চাঁদখালীর কমলাপুর মৌজায় বিভিন্ন দাগ-খতিয়ানের সাড়ে ৪৪ বিঘা জমি ক্রয় করে দীর্ঘ দিন ধরে দখলে আছেন। বর্তমান জরিপে এ জমি তার পরিবারের নামে রেকর্ডও হয়েছে। পরবর্তীতে তপশীলভুক্ত ৪ বিঘা জমি নিয়ে বিরোধ দেখা দিলে সাবেব আলী সানা বাদী হয়ে সর্বশেষ প্রতিপক্ষ আব্দুল হক গংদের বিরুদ্ধে পাইকগাছা সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে নিষেধাজ্ঞা মামলা করেন।
নিস্পত্তি না পর্যন্ত আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিয়ে দু’পক্ষকে দখল ভিত্তিক স্ব-স্ব অবস্থানে থাকার নির্দেশ দেয়।
এদিকে আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা করে গত ৯ ডিসেম্বর সকালে সাহেব আলী সানার জমির একাংশের কাঁটাধান প্রতিপক্ষ আব্দুল হক গংরা জোর করে বাড়ীতে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে থানার এসআই আল-আমিন ঘটনাস্থলে পৌছে দু’পক্ষকে নোটিশ জারি করে আদালতের নির্দেশনা মানতে বলেন।
এ বিষয়ে সাহেব আলী সানার ছেলে সবুর সানা বলেন আমাদের কাঁটাধান নিয়ে যেতে বাঁধা দিলে প্রতিপক্ষরা আমার উপর হামলা চালিয়ে আহত করেন। এ জমি নিয়ে ইতোপুর্ব নির্বাহী কোর্টে ১৪৪ ধারার মামলার রায় সহ ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে মামলা রুজু করলে আমাদের পক্ষে রায় হয়।
এদিকে কাঁটাধান বাড়ি নিয়ে যাবার অভিযোগ স্বীকার করে আব্দুল হক পুলিশের উপস্থিতিতে জানান, আমরা রেকডীয় জমির কাঁটা ধান নিয়েছি।
এ বিষয়ে থানার এসআই আল-আমিন জানান, আমি ঘটনাস্থলে পৌছে নোটিশ দিয়ে দু’পক্ষকে আদালতের নির্দেশনা মানতে বলেছি। কিন্তু বিবাদীরা কিছুতেই মানতে চায়না। তিনি আরো জানান,এ সময় দু’পক্ষই মরপিটে জড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়।