আনিছুর রহমান মানিক, স্টাফ রিপোর্টার>>
নীলফামারীর ডোমারে গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে শত্রæতার জের ধরে এক অসহায় বৃদ্ধকে পিটিয়ে গুরুত্বর আহত করেছে। এ ঘটনায় নুর ইসলাম কালু (৪৫) নামে এক জনকে গ্রেফতার করেছে ডোমার থানা পুলিশ। অপর দিকে সাবিনা বেগম মমিনা নামে এক বিধবা নারীর নার্সারী বাগানের ২শত ৫০টি গাছ কেটে দিয়েছে দূর্বৃত্তরা।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ছোট রাউতা নদীয়পাড়া ২নং ফরেস্ট এলাকায়। ভুক্তভুগির মামলা সুত্রে জানাযায়, উক্ত এলাকায় কাজী পাড়ার মৃত জাকির হোসেনের ছেলে জাপান হোসেন সাদ্দাম এর ৯০ শতক জমি রয়েছে। সেই জমিটি চুক্তিনামা সুত্রে মৃত হাচানুর ইসলামের স্ত্রী সাবিনা বেগম মমিনা দীর্ঘ ১৮ বছর যাবত চাষ আবাদ করে আসছে। প্রতিবেশী মৃত অফির উদ্দিনের ছেলে আঃ মান্নান, বাবলু, নুরুল হক কালু এর কুদৃষ্টি পরে ঐজমিতে। কারণে অকারণে অসহায় মমিনার সাথে ঝগড়া বিবাদ করে আসছে তারা।
এরই ধারাবাহিকতায় ঘটনার দিন (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে মমিনার ঘড়ের পিছনে লাগানো একটি গাছ জোর পূর্বক কেটে নেয় কালু ও তার দলবল। এ সময় মমিনার বাবা আঃ ছালাম (৮৫) বাঁধা দিতে গেলে তার বৃদ্ধ পিতাকে বেধরক মারপিট করে তারা। বাবাকে বাঁচাতে মমিনা এগিয়ে গেলে তাকেও মারধর করে বলে অভিযোগ উঠেছে। তাদের আঘাতে বৃদ্ধ আঃ ছালাম গুরুত্বর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে মমিনার নার্সারী বাগানের ২শত ৫০টি গাছের চারা কেটে ফেলে দূর্বৃত্তরা।
এ বিষয়ে সাবিনা বেগম মমিনা বাদী হয়ে কালু, মজনু, আঃ মান্নান সহ ১০জনের বিরুদ্ধে ডোমার থানায় একটি মামলা দায়ের করে। মামলার সুত্র ধরে সোমবার সন্ধ্যায় এজাহার ভুক্ত ১নং আসামী নুর ইসলাম কালুকে উপজেলা মোড় থেকে গ্রেফতার করে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মতিয়ার রহমান।
ডোমার থানার অফিসার ইনচার্জ আরিফুল ইসলাম গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বাকী আসামীদের গ্রেফতারের চেস্টা চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। বৃদ্ধকে মারধর, গাছ কেটেনেয়া এবং নার্সারী বাগান বিনস্ট করার বিষয়ে আসামীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবী জানান অসহায় ভুক্তভুগি সাবিনা বেগম মমিনা।