
আনিছুর রহমান মানিক, স্টাফ রিপোর্টার>>
নীলফামারীর ডোমারে এক বিধবা নারীর পরিবারের কবুলিয়ত জমি জোর পূর্বক দখলে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বামুনিয়া ইউনিয়নের মৌজা বামুনিয়া ৪নং ওয়ার্ড এলাকায়। অভিযোগ সুত্রে জানাযায় উক্ত গ্রামের মৃত খয়ের উদ্দিনের স্ত্রী ফাতেমা খাতুন ১৬/০৯/১৯৯২ সালে ৫৬৭২/৯২ নং কবলা মোতাবেক জেলা প্রশাসক রাজস্ব এবং ডেপুটি কমিশনার নীলফামারী মহোদয়ের আদেশ মতে ৫০ শতক জমি প্রাপ্ত হয়।
উক্ত সম্পত্বির মধ্যে ৩১ শতক জমি দখলে পায় ফাতেমা খাতুন। অপরদিকে বাকী ১৯ শতক জমি প্রতিবেশী আলহাজ¦ মজিবর রহমানের ছেলে নতুন বারোবিশা বামুনিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলাম জোর পূর্বক কৌশলে দখলে নেয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
এবিষয়ে জমি উদ্ধারের জন্য ফাতেমা খাতুন গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ডোমার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অপরদিকে ফাতেমার ভোগ দখলি জমিতে লাগানো বিভিন্ন প্রজাতির ১৪টি গাছ কেটে নিয়ে যায় মর্মে ফাতেমার ছেলে আবু কালাম রফিকুল মাস্টার, আব্দুস সাত্তার ও আবু বক্করের বিরুদ্ধে ডোমার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
ডোমার থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাবিবুল্লাহ অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান তদন্ত সাপেক্ষে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। এ বিষয়ে রফিকুল মাস্টারের কাছে জানতে চাইলে তিনি ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি। কবুলিয়ত জমি ফেরত পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন ভুক্তভুগী পরিবারের সদস্যরা।