আনিছুর রহমান মানিক, স্টাফ রিপোর্টার>>
নীলফামারীর ডোমারে একই রাতে ৩টি সেচপাম্প চুরি, ফসলের চরম ক্ষতি সাধন, এবিষয়ে চুরির অভিযোগে মনোয়ার হোসেন (৩১) এবং ইব্রাহীম (৩৫) নামে ২ যুবককে গ্রেফতার করেছে ডোমার থানা পুলিশ।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার হরিণচড়া ইউনিয়নের হরিহরা গ্রামে। মামলা সুত্রে জানাযায়, উক্ত গ্রামের বর্গাচাষী মৃত এছাহার আলীর ছেলে হারুন ইসলাম উক্ত এলাকায় ৩টি সেচপাম্প স্থাপন করে নিজের জমি সহ অন্যের জমিতে পানী সরবরাহ করে থাকে। সেখানে ৫ হর্সের ২টি ও ৩ হর্সের ১টি সেচপাম্প রয়েছে, যাহার আনুমানিক মূল্য ৯০ হাজার টাকা। ঘটনার দিন গত (০২ অক্টোবর) রাতে জমিতে পানী দিয়ে রাতে বাড়ী চলে যায় হারুন। পরদিন (০৩ অক্টোবর) সকালে মর্টার ঘড় খুলে দেখে ৩টি মর্টার সেচপাম্প চুরি হয়ে গেছে। অপরদিকে চুরির কারণে এলাকার শত একর ধানের রোপা নস্ট হওয়ার পথে, এতে করে কৃষি খাতে ব্যপক ক্ষতির আশংখা রয়েছে বলে ভুক্তভুগিরা জানান।
কৃষক হারুন অনেক খোজাখুজি করে লোক মারফতে ফোন কলের মাধ্যমে চক্রের সন্ধান পায়। সেই ফোন কলের সুত্রধরে কৌশলে গত (০৬ অক্টোবর) চক্রের মূল হোতা পশ্চিম হরিণচড়া এলাকার আল আমিনের ছেলে মনোয়ার হোসেন (৩১) কে আটক করে থানায় সোর্পদ করে এলাকাবাসী। এ বিষয়ে হারুন ইসলাম বাদী হয়ে গ্রেফতাকৃত মনোয়ারসহ এলাকার খানাবাড়ী এলাকার খয়বর আলীর ছেলে ইব্রাহীমের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত নামা ২/৩ জনের বিরুদ্ধে গত ০৬/১০/২০২৫ইং তারিখে ডোমার থানায় একটি মামলা নং-০২ দায়ের করে।
ডোমার থানার পুলিশ মনোয়ারকে জেলার বিজ্ঞ আদালতে পাঠালে আদালত জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। অপর দিকে ডোমার থানার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আঙ্গুর মিয়া তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে এজাহার ভুক্ত ২নং আসামী ইব্রাহীমকে গত ১০ নভেম্বর রাতে রাজধানী ঢাকার গাউছিয়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করে ডোমার থানায় নিয়ে আসে। ডোমার থানার অফিসার ইনচার্জ আরিফুল ইসলাম গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ইব্রাহীমকে জেলার বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে, ঘটনায় জড়িত বাকী আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ সেচপাম্প চুরি ঘটনায় ধানের চরম ক্ষতি সাধন হয়েছে। ঘটনায় জড়িত চক্রের দৃষ্টামূলক শাস্তির জোর দাবী জানান তারা।